• ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Royal Challengers

খেলার দুনিয়া

নির্বাসনের মুখে পড়া বাংলার শাহবাজই ভরসা দিচ্ছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে

কয়েকবছর আগে সিএবি কর্তাদের অন্তর্কলহের শিকার হতে হয়েছিল এই শাহবাজ আমেদকে। আদৌও তিনি বাংলার ক্রিকেটার কিনা, তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল সিএবি। শাহবাজের খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা। বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল। বহিরাগত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আবার ক্লাব ক্রিকেটে ফেরা। সময়টা দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছিল শাহবাজের। মনে হয়েছিল ক্রিকেটজীবনই শেষ হতে চলেছে। ফিরে যেতে চেয়েছিলেন হরিয়ানার গ্রামের বাড়িতে। ভেবেছিলেন ক্রিকেট ছেড়ে ইঞ্জিনিয়ারিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। আবার ফিরে যাবেন প্রিয় ক্যালকুলাসে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুক্তি। আর আজ তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর সংসারে নায়ক।ক্রিকেটার না হলে অন্যখাতে বইত শাহবাজের জীবন। হয়তো নামী কোনও সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি নিয়ে পড়ে থাকতেন। সে সব কিছুই হয়নি। ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে হরিয়ানার ফরিদাবাদের পালোয়াল থেকে বাবামার হাত ধরে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতায়। ৭ বছর আগে দলের মিডল অর্ডারে ভারসাম্য আনার জন্য এমন একজন ব্যাটসম্যান খুঁজছিলেন কলকাতার তপন মেমোরিয়ালের কোচ ধর্মেন্দ্র সিং, যিনি বোলিংও করতে পারেন। হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে এক পরিচিত শাহবাজ আমেদের ব্যাটিংয়ের ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। পছন্দ হয় ধর্মেন্দ্রর। একদিন বাবামাকে সঙ্গে নিয়ে পালোয়াল থেকে কলকাতায় হাজির হন শাহবাজ। দুদিন নেটে দেখেই সই করানোর সিদ্ধান্ত। ধর্মেন্দ্র সিংয়ের হুগলির শ্রীরামপুরের বাড়িই হয়ে ওঠে স্থায়ী আস্তানা।ক্লাবের হয়ে প্রথম ম্যাচেই সাফল্য। বল হাতেও যে তিনি সমান দক্ষ সেদিনই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শাহবাজ। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে প্রথম বছর সাফল্য। পরের মরশুমে বড় ক্লাবের প্রস্তাব সত্ত্বেও থেকে যান তপন মেমোরিয়ালেই। যে ক্লাব তাঁকে কলকাতা ময়দানে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে তার প্রতি আনুগত্য দেখাতে কার্পন্য করেননি। ছোট ক্লাব থেকে বাংলা দলে সুযোগ পাওয়ার নজির তেমন নেই। শাহবাজ সেদিক দিয়ে ব্যতিক্রম। কোনও বয়সভিত্তিক বাংলা দলে না খেলেও সরাসরি সিনিয়র দলে।সিএবি কর্তাদের কাজিয়ায় একসময় বাংলায় খেলা অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল শাহবাজের। তিন বছর আগে শাহবাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি বহিরাগত। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলার অধিকার নেই। মাস চারেকের জন্য নির্বাসিত। গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। তিনি যে হরিয়ানা ছেড়ে স্থায়ীভাবে শ্রীরামপুরে বসবাস করছেন প্রমাণ হয়ে যায়। উঠে যায় নির্বাসন। সুযোগ পান বাংলা দলে। ২০১৮১৯ মরশুমে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক। তার আগে বাংলার হয়ে খেলে ফেলেছিলেন বিজয় হাজারে ট্রফি। যে দলের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক, সেই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২০২০র রনজি ট্রফিতে হ্যাটট্টিক।হরিয়ানায় হোমটাউন হলেও এখন বাংলাই তাঁর ঘরবাড়ি। শাহবাজের মুখে প্রায়শই শোনা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলায় আছি। এখন বাংলাই আমার কাছে সবকিছু, আমার ভবিষ্যত। ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। নিজে স্পিনার হলেও শাহবাজের প্রিয় বোলার বেন স্টোকস। তবে ভারতীয়দের মধ্যে ভাল লাগে রবীন্দ্র জাদেজাকে। জাদেজা ভারতীয় দলে যেরকম ভূমিকা পালন করেন, বাংলার হয়ে তেমন ভূমিকা পালন করতে চান শাহবাজ। তাঁর লড়াকু মানসিকতা দারুণ পছন্দ করেন বাংলার কোচ অরুণলাল। বিরাট কোহলিও শাহবাজের লড়াকু মানসিকতার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। ক্যালকুলাস তাঁর খুবই পছন্দের বিষয়। অঙ্ক কষতে গেলে মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়। মঙ্গলবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। ২৬ বলে ৪৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের মুখে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা। ম্যাচের পর শাহবাজ বলছিলেন, খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাট করতে গিয়েছিলাম। আমার দক্ষতার ওপর অধিনায়ক আস্থা রেখেছিল, এতেই আমি খুশি। দীনেশ কার্তিক আমার চাপ কমিয়ে দিয়েছিল। শাহবাজ আরও বলেন, প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছি। সেটা হলে দলের পক্ষেই ভালো। তবে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলের জয় নিশ্চিত করায় অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। ঠিক করেছিলাম, স্পিনারদের উইকেট দেব না। শিশির পড়ায় বল ব্যাটে আসছিল, তাই জোরে বোলারদের আক্রমণের রাস্তা বেছে নিই। দীনেশ কার্তিকের ঝোড়ো ব্যাটিং মোমেন্টাম তৈরি করে দেয়। ম্যাচের বয়স বাড়তেই খেলাও ক্রমে সহজ হয়ে যায়। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮তম ওভার করতে আসার আগে আরসিবির ৩ ওভারে ২৮ দরকার ছিল। শাহবাজ প্রথম বলে রান পাননি, পরের তিনটি বলে চার, ছয় ও দুই রান নেন, পঞ্চম বলে আউট হন। ট্রেন্ট বোল্ট বাঁহাতি হওয়ায় সুবিধা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শাহবাজ। বলেন, বড় শট নিতেই হতো। সেটা পারায় লক্ষ্যের দিকে আমরা আরও এগিয়ে যাই। দলকে জিতিয়ে আসতে না পারার জন্য আক্ষেপ রয়েছে শাহবাজের। হর্ষল প্যাটেল শাহবাজকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, আরও লম্বা ইনিংসের সাক্ষী থাকতে চাই আমরা। বিরাট কোহলিও শাহবাজের ইনিংসের প্রশংসা করেছেন। বাংলার অলরাউন্ডারের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিও। তিনি বলেন, শাহবাজ বড় শট খেলতে পারদর্শী। বল হাতেও তিনি কার্যকরী ভূমিকা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের আইপিএলে ২ ম্যাচে ২টি এবং গত মরশুমে ১১ ম্যাচে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন শাহবাজ।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার শাহবাজ আমেদের দাপটে দারুণ জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের

পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তবু জয় এল না রাজস্থান রয়্যালসের। সঞ্জু স্যামসনের দলকে ৪ উইকেট হারাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও দীনেশ কার্তিক। দুরন্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিলেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাতের দিকে শিশির খুব সমস্যা তৈরি করছে। বোলারদের বল গ্রিপ করতে দারুণ সমস্যা হচ্ছে। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থানের। দ্বিতীয় ওভারেই যশস্বী জয়সোয়ালকে হারায়। আগের ম্যাচে রান পাননি যশস্বী। এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৪ রান করে ডেভিড উইলির বলে বোল্ড হন। যশস্বী ব্যর্থ হলেও এদিন আবার রানে ফিরলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। জস বাটলারের সঙ্গে তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। প্রথম দিকে ডেভিড উইলি, মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপদের দাপটে রাজস্থান রয়্যালসের রান তোলার গতি ছিল কম। পরের দিকে বাটলার ও পাড়িক্কল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭০।দশম ওভারের শেষ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন হর্ষাল প্যাটেল। তাঁর আউট নিয়ে অবশ্য নাটক তৈরি হয়েছিল। দেবদত্ত পাড়িক্কলের ক্যাচ ধরেছিলেন বিরাট কোহলি। পেছন দিকে ঝুঁকে ক্যাচ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে যান। কোহলির এই দুরন্ত ক্যাচ দেখে দর্শকরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও সাজঘরের দিকে হাঁটা দিয়েছিলেন। তখনই মাঠের বাইরে দেবদত্তকে আটকান আম্পায়ার। আসলে, আম্পায়ার প্রথমে নো বল পরীক্ষা করছিলেন। পরে ক্যাচ বৈধ কিনা পরীক্ষা করেন। ২৯ বলে ৩৭ রান করে আউট হন দেবদত্ত। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও (৮ বলে ৮) এদিন রান পাননি। সঞ্জু আউট হওয়ার পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান বাটলার ও শিমরণ হেটমায়ের। আগের ম্যাচের মতো এদিনও দুরন্ত ব্যাট করেন বাটলার। প্রথম দিকে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে ঝড় তোলেন। দুবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩১ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন হেটমায়ের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৩ তোলে রাজস্থান রয়্যালস। হর্ষাল প্যাটেল ১৮ রানে ১ উইকেট নেন। ডেভিড উইলি ও হাসারাঙ্গাও নেন ১টি করে উইকেট। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ভাল শুরু করেছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তোলে ৪৮/০। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায়। ডুপ্লেসিকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ বলে ২৯ রান করেন ডুপ্লেসি। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ অনুজ রাওয়াত এদিন ২৫ বলে ২৬ রান করে নভদীপ সাইনির বলে আউট হন। বিরাট কোহলি (৫), ডেভিড উইলি (০) রান পাননি। ডুপ্লেসিকে চাহাল তুলে নিতেই ধস রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। কোহলিকে (৫) রান আউট করেন চাহাল (২/১৫)। পরের বলেই উইলিকে (০) তুলে নেন। রাদারফোর্ডকে (৫) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রেন্ট বোল্ট। শাহবাজ আমেদ (২৬ বলে ৪৫) ও দীনেশ কার্তিকের (২৩ বলে অপরাজিত ৪৪) দুরন্ত ব্যাটিং চাপ কাটিয়ে দেয়। শাহবাজ আউট হলেও অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। তবে জয়ের রান আসে হর্ষাল প্যাটেলের (৪ বলে অপরাজিত ৯) ব্যাট থেকে। ৫ বল বাকি থাকতে ১৭৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL Match : পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

প্লে অফের লড়াইয়ে দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের তুলনায় পাঞ্জাব কিংসের কাছে গুরুত্ব অনেক বেশি। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে লোকেশ রাহুলের দল। অন্যদিকে, জিতলেই আরও একবার প্লে অফ নিশ্চিত। শেষ পর্যন্ত বাজিমাত বিরাট কোহলিদের। পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শুরুটা খারাপ করেননি বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তোলে ৬৮। হেনরিকসের বলে কোহলি (২৪ বলে ২৫) আউট হন। পরের বলেই হেনরিকস তুলে নেন ক্রিশ্চিয়ানকে (০)। এক ওভার পরেই হেনরিকসের বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (৩৮ বলে ৪০)। পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। রান তোলার গতি কমে যায়। এরপরই শুরু হয় ম্যাক্সওয়েলের ঝড়। এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৭৩ রান। ১৮ বলে ২৩ রান করে রান আউট হন ডিভিলিয়ার্স। ১৮.২ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তখন ১৪৬। শেষ ওভারে ৩ উইকেট হারায় বিরাট কোহলির দল। ৩৩ বলে ৫৭ রান করে আউট হন ম্যাক্সওয়েল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৪ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরজয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ১০.৪ ওভারে ওঠে ৯১। তখন মনে হচ্ছিল পাঞ্জাবের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। লোকেশ রাহুল (৩৫ বলে ৩৯) ফিরতেই ধস পাঞ্জাব কিংসের ইনিংসে। নিকোলাস পুরান (৩), মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৪২ বলে ৫৭), এইডেন মার্করাম (১৪ বলে ২০), সরফরাজ খানরা (০) দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। শাহরুখ খান (১১ বলে ১৬), মোজেস হেনরিকসরা (৯ বলে ১২) চেষ্টা করেও দলকে জয়ের সরণিতে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৫৮/৬ রানে থেকে যায় পাঞ্জাব কিংসের ইনিংস। একই সঙ্গে প্লে অফের স্বপ্নও ক্রমশ ফিকে হয়ে গেল। ১৩ ম্যাচে ১০ পয়েন্টেই আটকে রইল পাঞ্জাব কিংস। প্লে অফে যেতে গেলে শুধু শেষ ম্যাচ জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে পাঞ্জাবকে। অন্যদিকে, ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল বিরাট কোহলির দল।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

বুধবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দু-দলের কাছেই এই ম্যাচ ছিল oiগুরুত্বপূর্ণ। রাজস্থানের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত কোহলিদের। অন্যদিকে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখতে রাজস্থান রয়্যালসকে জিততেই হত। ৭ উইকেটে জিতে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকারটস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলি। দুই দলেই একটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোট সরিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন রাজস্থানের কার্তিক ত্যাগী। আর রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে অভিষেক জয় জর্জ গার্টনের। আগের ম্যাচে লিগ তালিকার সবথেকে নিচে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হেরে প্লে অফের লড়াইয়ে পড়ে রাজস্থান। তাই এদিনের ম্যাচ তাদের জিততেই হত। চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছিল সঞ্জু স্যামসন ব্রিগেড।ভাল শুরু করেছিল রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস ও যশস্বী জয়সোয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৭। ২২ বলে ৩১ রান করে ক্রিশ্চিয়ানের বলে আউট হন লুইস ৩৭ বলে ৫৮ রান করেন। লুইস যখন আউট হন তখন রাজস্থানের রান ১১ ওভারে ১০০। এরপরই ধস নামে রাজস্থানের ইনিংসে। ১১৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন করেন ১৯। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান তোলে রাজস্থান। হর্শল প্যাটেল ৩টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ও শাহবাজ আমেদ ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৮। দেবদত্ত পড়িক্কল ১৭ বলে ২২ রান করে মুস্তাফিজুরের বলে বোল্ড হন। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলি ২০ বলে ২৫ রান করে রান আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান এস ভরত ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হন ভরত। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পোঁছে দেন ম্যাক্সওয়েল। ৩০ বলে ৫০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৭.১ ওভারে ১৫৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

RCB: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্স

ভারতীয় ক্রিকেটে কি বিরাট রাজত্ব শেষের পথে? ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে জাতীয় দলের টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হবে কিনা। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে তাঁকে অধিনায়ক পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলিরদীর্ঘদিন ধরে রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্বে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রতি বছর তারকাখচিত শক্তিশালী দল থাকা সত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে একবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স রয়েছে তিন নম্বরে। বিরাট যদি এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে না পারেন, তাহলে তিনি কি আইপিএলেও অধিনায়কত্ব ধরে রাখতে পারবেন? প্রশ্নটা উঠেই গেছে। সামনের বছর আইপিএলের জন্য জানুয়ারিতে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। বিরাটের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স এবারও যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে তাহলে হয় তিনি নিজেই অধিনায়কত্ব ছাড়বেন, নয়তো তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।ভারতীয় দলের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেও উত্তরসূরী তৈরি না করার রণকৌশল নিয়েছেন কোহলি। যাতে তাঁর পথ কণ্টকাকীর্ণ না হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা তো আর দেশের খেলা নয়, ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। সুতরাং নিলামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ বাক্যে। এবি ডিভিলিয়ার্সকেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তারা। অথবা এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন যিনি বয়সে নবীন এবং বেশ কয়েক বছর দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক ভ্যালু ৪২৮ কোটি টাকা! কলকাতায় মজে গেলেন বাঙালী খানায়বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন ৬০টি ম্যাচে, হেরেছেন ৬৫টিতে। শতকরা হার ৪৮.০৪। জেতার শতকরা হারের নিরিখে অনেকের চেয়েই পিছিয়ে কোহলি। আইপিএলের সফলতম দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিত শর্মার সাফল্যের শতকরা হার ৬০.১৬ শতাংশ, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৫৯.২৭ শতাংশ, গৌতম গম্ভীরের ৫৫.৪২ শতাংশ। ধোনি আইপিএলে ১৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গম্ভীর ১২৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিত শর্মা আইপিএলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১২৩টি ম্যাচে। এই চারজনই একশোর বেশি ম্যাচে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নারয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তিনবার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তিনবার বিদায় নিয়েছে প্লে অফ থেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আইপিএলের অধিনায়কত্ব ধরে রেখে ভারতের টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর বলেছেন, দেশের নেতৃত্ব কোহলি ছেড়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব কোন যুক্তিতে ধরে রেখেছে বোধগম্য নয়। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার বলেছেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কোহলিকে অনেক সময় দিয়েছে। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইন-আপ, বোলিং লাইন-আপ নিয়েও কোহলি যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে কাঙ্ক্ষিত খেতাব জেতাতে না পারে তাহলে নেতৃত্বে রদবদল দোষের কিছু নয়। আইপিএল শুরুর আগে সেই চাপ নিয়েই নামতে হবে বিরাটকে। কোহলি ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে এখনও অবধি কোনও আইসিসি ট্রফি জেতেননি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শুধু। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েও ব্যর্থ। টিম ম্যানেজমেন্টও ভাবতে শুরু করেছে। পরের আইপিএলে কোহলিকে নেতৃত্বে না দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal